আন্তার্জতিক নারী দিবস-২০১৬ উপলক্ষে বুধবার বিকেলে বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানের সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ-এর পরিচালক এবং স্টেপস-এর চেয়ারপারসন অধ্যাপক মাহবুবা নাসরিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। সম্মানিত অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নাসরীন আহমাদ, নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক রাশেদা রওনক খান, এস এ গেমস-এ ভারোত্তলনে স্বর্ণপদক বিজয়ী মাবিয়া আক্তার সীমান্ত প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্টেপস-এর নির্বাহী পরিচলক রঞ্জন কর্মকার।
স্পিকার বলেন, প্রতিটি নারী যদি তাদের নিজস্ব পেশা বেছে নিতে পারেন, নিশ্চিন্তে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে পারেন, উন্নয়নে অবদান রাখতে পারেন তবেই তাদের ক্ষমতায়ন সম্ভব। নারীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সব স্তরের নারীদের অংশগ্রহণ থাকতে হবে।
নারীর ক্ষমতায়নে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশে নারীর ক্ষমতায়নে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি প্রভাব ফেলেছে তা হলো প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী উন্নয়ন পরিকল্পনা। যেখানে নারীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। ২০৩০ সালের মধ্যে সব ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ ফিফটি-ফিফটি করতে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। সবার আগে দেশের সব নারীকে শিক্ষিত করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে তরুণ প্রজন্মের পক্ষে অঙ্গীকার করেন শারমিন সুলতানা, আশিকা খাতুন, রফিকুল্লাহ ও শেখ ইমতিয়াজ ওমর ফয়সাল। তারা বলেন, যে নারী মা-বোন-সহর্ধমিনী-প্রিয়তমা, তাকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। নারীদের শিক্ষার অধিকার ও সুযোগ দিলেই সব স্তরে নারী-পুরুষের ফিফটি-ফিফটি আনা সম্ভব। আজকে আমরা সমাজের প্রতি দেশের প্রতি আবেদন জানাচ্ছি, কোনও নারীকে যাতে বোঝা মনে না করা হয়। আর কোনও নারী যেন ধর্ষিত না হয়, লাঞ্ছনার শিকার না হয়।
/এসআর/এএইচ/আপ-এনএস/