বিমানবন্দরে অফিস করবেন মন্ত্রী ও সচিব


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরহযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সম্মত কর্ম-পরিকল্পনাকে আরও ত্বরান্বিত করতে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দিনের কোনও একটি সময়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী  এবং সচিব বিমানবন্দরে অফিস করবেন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বিমান মন্ত্রণালয়ে এক জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান। কার্গো পরিবহনে ‍যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা ঘটনার পর এ জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, কার্গো পরিবহনে ‍যুক্তরাজ্যের সাময়িক নিষেধাজ্ঞাসহ বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন, কার্গো কমপ্লেক্সের সুবিধাদি বৃদ্ধি এবং ইতোপূর্বে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ মূল্যায়নে বৃহস্পতিবার এক জরুরি সভা বিমান মন্ত্রী রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে শাহজালাল বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী, সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল সানাউল হক,বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভারপ্রাপ্ত এমডি আসাদুজ্জামানসহ সিভিল অ্যাভিয়েশন এবং বিমানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়,যুক্তরাজ্যের ঢাকাস্থ হাইকমিশন, অ্যাভিয়েশন টিম এবং নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শক্রমে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো কার্যক্রম চলছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে স্পেশাল টিম গঠন করা হয়েছে। আধুনিক সরঞ্জামাদি সংগ্রহে গত ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেকের সভায় ৯০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প পাশ হয়েছে। বাংলাদেশের গৃহীত ব্যবস্থাদি সন্তোষজনক বলে বৃটিশ হাই কমিশন জানিয়েছিলো। এর পরিপ্রেক্ষিতে এ ধরনের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা অনাকাঙ্খিত বলে সভায় জানান সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী। সভায় রাশেদ খান মেনন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ব্যবস্থার উন্নয়নে সিভিল অ্যাভিয়েশন ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি মন্ত্রণালয় থেকে পুরো কর্মকাণ্ডকে মনিটরিং করারও নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভারপ্রাপ্ত এমডি আসাদুজ্জামান বলেন,নিরাপত্তাজনিত সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে এবং দ্রুত যুক্তরাজ্যের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হবে।

 /সিএ /এপিএইচ/