সাঈদ খোকন বলেন, কিডনি রোগ প্রতিরোধে খাদ্যাভ্যাস একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেক্ষেত্রে ভেজালমুক্ত খাবার জরুরি। সবাই সচেতন হলে শিশুরা এ রোগের আক্রমণ থেকে বহুলাংশে মুক্ত থাকতে পারবে। তিনি জানান, শিশুদের খেলাধূলার সুবিধার্থে ২২টি পার্ক উন্নয়ন করা হবে। এছাড়া, বিদ্যমান পার্কগুলোও খেলাধূলার উপযোগী করার জন্য সংস্কার করা হবে।
মেয়র বলেন, মশাবাহিত রোগগুলো কিডনি রোগের জন্যেও দায়ী। এই শহর থেকে মশা একেবারে নির্মূল করা সম্ভব নয়। তবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। আমরা সে চেষ্টাই করছি। নগরবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রতিটি বাসার সামনে মশক নিধনের স্প্রেম্যান যাবেন। না গেলে আমাকে সরাসরি জানাবেন।
আলোচনা সভার বিশেষ অতিথি জাতীয় অধ্যাপক এমআর খান পরিবেশ দূষণ ও ময়লা দূষণ থেকে শিশুদের রক্ষার পাশাপাশি তাদের বিনোদনের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান। তিনি বলেন, পানিশূন্যতার কারণে যেমন ডায়রিয়া হয়, তেমনি শিশুদের কিডনি রোগেরও ঝুঁকি বাড়ে। তবে প্রথম অবস্থায় চিহ্নিত করা গেলে এ রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কিডনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রফেসর ডা. হারুন উর রশীদ, মহাসচিব অধ্যাপক হানিফ, পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি ও বিএসএমএমই’র অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন, ক্যাপ সভাপতি অধ্যাপক এমএ সামাদ, বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব অধ্যাপক ম. মহিবুর রহমান প্রমুখ।
/ওএফ/এমএনএইচ/