বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিহত তরুণীর ভাই ওবায়দুল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে এসে লাশটি শনাক্ত করার পর বুঝে নিয়েছেন। গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সালাহউদ্দিন মিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, নিহতের নাম কাজলী (২৪)। তার বাবার নাম মৃত সখীম উদ্দিন। রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানার সন্তোষপুর গ্রামে তাদের বাড়ি। কাজলী রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকার চরকঘাট এলাকার একটি বাসায় সাবলেটে ভাড়া থাকতেন যেখানে নিজেকে হসপাতালের চাকুরে বলে তিনি জানিয়েছিলেন। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। তদন্তের স্বার্থে এর বেশী বলা যাবে না।’
এর আগে ৫ মার্চ সকাল ৯টার দিকে গুলশান-২ এর ১২ নম্বর রোড থেকে রক্তাক্ত ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করে গুলশান থানা পুলিশ। ১৪ মার্চ এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলা নম্বর ৯। মামলাটি তদন্ত করছেন পরিদর্শক সালাহউদ্দিন।
মামলার তদন্তকারী এই পরিদর্শক বলেন, ‘আমরা প্রথমে মনে করেছিলাম নিহত তরুণী একজন আদিবাসী। কারণ তাকে দেখতে আদিবাসীদের মত লেগেছিল। তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছিল। তার পরিচয় শনাক্তের জন্য আমরা বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘তার আঙ্গুলের ছাপ সংগ্রহ করা হয়। এরপর সেই ছাপ প্রযুক্তির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্রের সার্ভারে নিয়ে খোঁজ করার পর তার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। এরপর তার গ্রামের বাড়িতে খবর দেওয়া হয়। তার ভাই ওবায়দুল এসে লাশ শনাক্ত করেন।’
এদিকে নিহতের ভাই ওবায়দুল বলেন, ‘তারা দুই বোন ও এক ভাই। কাজলী দ্বিতীয়। তিনি বাড়িতে বেশী যেতেন না। বছরে দুই একবার বাড়িতে যেতেন।’
নিহতের লাশ দাফনের জন্য তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
/এআরআর/এইচকে/