বৃহস্পতিবার দুপুরে মহাখালীর বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের হোটেল অবকাশে স্যোসাল মিডিয়া ক্যাম্পেইন অন এনকারাইজিং ওইমেন ট্রাভেলার্স ইন বাংলাদেশ’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
পর্যটনমন্ত্রী বলেন, ট্যুরিজম এখন আর দেশ দেখার মাঝে সীমাবদ্ধ নেই, এটি বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের অন্যতম বাহন। এখন হেলথ ট্যুরিজম, ইকো ট্যুরিজম, আর্কিওলজিক্যাল ট্যুরিজম, অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম, কমিউনিটি ট্যুরিজম ও মুসলিম দেশগুলোতে হালাল ট্যুরিজম বিকশিত হচ্ছে। এরই প্রতিফলন জাতিসংঘ ঘোষিত সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল এ ট্যুরিজমকে অন্তর্ভুক্ত করা।
মেনন বলেন, বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা, চৈনিক পরিব্রাজক হি ইউয়েন সাং, ফা-হিয়েনরা এ দেশের সৌন্দর্যের কাহিনী বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় এ দেশ হয়ে ওঠে বসবাস ও বাণিজ্যের উদ্যান। তাই বর্তমান সরকার পর্যটনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ২০১৬ কে পর্যটন বছর ঘোষণা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সদ্য বিদায়ী সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব মো. রফিকুজ্জামান, বিপিসি এর চেয়ারম্যান ড. অপরূপ চৌধুরী, বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি সেলিমা আহমেদ, নারী উদ্যোক্তা মনোয়ারা হাকিম আলী এবং ইউএন উইমেনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ক্রিস্টিনা হান্টার।
/সিএ/এনএস/এএইচ/