বৃহস্পতিবার দিনগত রাত পৌনে ২ টার দিকে বনানীর ২৩ নম্বর সড়কের ৯ নম্বরের ছয়তলা ভবনের চারতলায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ভবনটির সামনের রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলছে। খোঁড়াখুঁড়ির কারণে গ্যাসলাইন ছিদ্র হয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ তিতাসের গ্যাস লাইনের বিষয়ে অভিযোগ দিয়েছিলেন বাসিন্দারা।
বাসাটির মালিক শামসুল আলম বলেন, গত তিন দিন ধরে গ্যাসের লাইন ফুটো হয়ে গ্যাস বের হচ্ছে বলে তারা তিতাস গ্যাসে অভিযোগ করেছেন। গতকালও তিনবার তারা তিতাসে অভিযোগ করেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। অভিযোগের পরই বৃহস্পতিবার রাতে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
তবে তিনি ওয়াসার দিকে অভিযোগ দেওয়ার চেষ্টা করে জানান, গ্যাসের লাইন ফুটো হওয়ার কথা ওয়াসা তাদের জানায়নি। জানালে ব্যবস্থা নেওয়া যেত। তবে বিষয়টি তদন্ত করা হবে।
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) মেজর শাকিল নেওয়াজ জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। ১৩ টি ইউনিট চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ও আগুন লেগেছে কি না তা নিয়ে তদন্ত চলছে।
এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, রাজউক ও বুয়েট বানানীর গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে আগুনের ঘটনায় বহুতল ওই ভবনটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে। শুক্রবার বিকালে রাজউক ও বুয়েটের প্রতিনিধি দল ভবনটি পরিদর্শন শেষে তা পরিত্যক্ত ঘোষণা করে।
ছবি: নাসিরুল ইসলাম।
/এআরআর/এফএস/