পাশাপাশি এ ধরনের দায়িত্বে অবহেলার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক থাকারও নির্দেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইউসুফ বলেন, বিষয়টি অনভিপ্রেত। প্রবাসিরা ঘামের টাকায় এয়ারলাইন্স থেকে সার্ভিস কিনে থাকেন। এয়ারলাইন্স সেই প্রতিশ্রুত সেবা দিতে বাধ্য। অন্যথায় দেশের প্রচলিত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন প্রয়োগ করতে আমরাও বাধ্য।
উল্লেখিত দুই যাত্রীর বিষয়ে তিনি জানান, নির্ধারিত ফ্লাইটে লাগেজের স্থান সংকুলান না হলে লাগেজ পরবর্তী সুবিধাজনক ফ্লাইটে আসার নিয়ম। এক্ষেত্রে প্যাসেঞ্জারকে অপেক্ষা না করিয়ে দ্রুততম সময়ে পিআইআর ইস্যু করে জানিয়ে দিতে হবে এবং পরবর্তীতে ব্যাগ আসলে প্যাসেঞ্জারকে মোবাইল ফোনে খবর দিয়ে ব্যাগ বুঝিয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি প্যাসেঞ্জারের বাসস্থান এরাইভাল সিটি তথা ঢাকার বাইরে হলে তাকে ব্যাগ না আসার ঝামেলাসহ প্রাথমিক প্রয়োজন মেটানো এবং পরবর্তী আসা-যাওয়া ইত্যাদি খরচ মিলিয়ে একটা অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ (ইন্টেরিম রিলিফ) দেওয়ার আন্তর্জাতিক আইন রয়েছে। আদালতের নির্দেশে এয়ারলাইন্স ওই দুই যাত্রীকে অর্ন্তবর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ দিয়েছে।
/সিএ/এফএস/