লাগেজ দিতে না পারায় যাত্রীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ শাহজালালে

লাগেজ না আসায় দুই যাত্রীকে ক্ষতিপূরণলিবিয়া প্রবাসী কুমিল্লার দাউদকান্দির ইলিয়াস এবং কাতার প্রবাসী ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার চন্দ্রদাশ এয়ারএয়াবিয়ার একটি ফ্লাইটে সোমবার  সকাল ৯টার দিকে ঢাকায় অবতরণ করেন। একঘণ্টা বেল্টে অপেক্ষা করেও লাগেজ পাননি তারা। বেল্টে আর কোনও লাগেজও নেই। এয়ারলাইন্সের কোনও কর্মকর্তা-কর্মচারীরও দেখা নেই। তাদের দেখে এগিয়ে যান বিমানবন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইউসুফ। তাৎক্ষণিকভাবে এয়ারএরাবিয়া এয়ারলাইন্সের ম্যানেজারকে দুই যাত্রীর ব্যাগ আনার উদ্যোগ নিতে বলেন এবং একই ফ্লাইটে ব্যাগ না আসার কারণে অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রত্যেককে তিন হাজার টাকা করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। ২১ দিনের মধ্যে ব্যাগ না আসলে নিয়মানুযায়ী পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও নির্দেশনা দেন।
পাশাপাশি এ ধরনের দায়িত্বে অবহেলার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক থাকারও নির্দেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইউসুফ বলেন, বিষয়টি অনভিপ্রেত। প্রবাসিরা ঘামের টাকায় এয়ারলাইন্স থেকে সার্ভিস কিনে থাকেন। এয়ারলাইন্স সেই প্রতিশ্রুত সেবা দিতে বাধ্য। অন্যথায় দেশের প্রচলিত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন প্রয়োগ করতে আমরাও বাধ্য। 

 

উল্লেখিত দুই যাত্রীর বিষয়ে তিনি জানান,  নির্ধারিত ফ্লাইটে লাগেজের স্থান সংকুলান না হলে লাগেজ পরবর্তী সুবিধাজনক ফ্লাইটে আসার নিয়ম। এক্ষেত্রে প্যাসেঞ্জারকে অপেক্ষা না করিয়ে দ্রুততম সময়ে পিআইআর ইস্যু করে জানিয়ে দিতে হবে এবং পরবর্তীতে ব্যাগ আসলে প্যাসেঞ্জারকে মোবাইল ফোনে খবর দিয়ে ব্যাগ বুঝিয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি প্যাসেঞ্জারের বাসস্থান এরাইভাল সিটি তথা ঢাকার বাইরে হলে তাকে ব্যাগ না আসার ঝামেলাসহ প্রাথমিক প্রয়োজন মেটানো এবং পরবর্তী আসা-যাওয়া ইত্যাদি খরচ মিলিয়ে একটা অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ  (ইন্টেরিম রিলিফ) দেওয়ার আন্তর্জাতিক আইন রয়েছে। আদালতের নির্দেশে এয়ারলাইন্স ওই দুই যাত্রীকে অর্ন্তবর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ দিয়েছে। 

/সিএ/এফএস/