শনিবার (২৬ মার্চ) সকালে র্যাব সদর দফতরে ফোর্সের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তনু হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, অপরাধীদের শনাক্ত ও জঙ্গিবাদ দমনে গোয়েন্দা তৎপরতার বিকল্প নেই। র্যাব সব ঘটনার তদন্ত করে না। নির্বাচিত মামলা তদন্ত করে থাকে। শুধু সরকার অর্পিত মামলার তদন্ত করে। এর সংখ্যাও কম নয়। এখন পর্যন্ত র্যাবের তদন্ত সন্তোষজনক। তবে আগামীতে যেন আমরা আরও ভালো কিছু করতে পারি সে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
র্যাবের মহাপরিচালক বলেন, সবার সহযোগিতায় আমরা এমন সমাজ গড়ে তুলবো যেখানে নারী, বৃদ্ধ ও শিশুরা নিরাপত্তাহীন বোধ করবেন না। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র্যাব জঙ্গি, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে কাজ করে যাচ্ছে। ১২ বছর আগে স্বাধীনতা দিবসে র্যাব আত্মপ্রকাশ করেছিল। দেশের মানুষের সহযোগীতায় র্যাব এতোটা পথ পেড়িয়ে এসেছে।
বেনজীর আহমেদ বলেন, ৭টি বাহিনী ও ৮টি প্রতিষ্ঠান মিলে এলিট ফোর্স র্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়। সব বাহিনীর নির্বাচিত সদস্যরা র্যাবে কাজ করছেন। র্যাবের রয়েছে দেশের সর্বাধুনিক ফরেনসিক ল্যাব। তৈরি করা হয়েছে ক্রিমিনাল ডেটাবেইজ। সম্প্রতি জেল ডেটাবেইজও তৈরি করা হয়েছে।
র্যাব ডিজি বলেন, জঙ্গিবাদের কোনও সীমানা নেই। প্রতিবেশী দেশ কিংবা দূর প্রতিবেশী দেশ যখন সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমে আক্রান্ত হয়, তখন আমরা সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করি। এর মাধ্যমে আমরা নিজেদের নিরাপত্তা কৌশল ও ব্যবস্থাপনা হালনাগাদ করি। জঙ্গি ও জঙ্গিবাদ দমন, দক্ষিণাঞ্চলে দস্যুতা ও মানবপাচার দমন, ইয়াবসহ মাদকের আগ্রাসন দমন, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে চাঁদাবাজি দমন, নিজস্ব গোযেন্দা সক্ষমতা বাড়ানো, চলমান সংস্কার কার্যক্রম আরও বেগবান করা এবং জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনে জনগণের সঙ্গে আরও কার্যকর সম্পর্ক উন্নয়ন করা হবে।
এ সময় র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসান, ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবুল কালাম আজাদ, লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান, উপ-পরিচালক মেজর রুম্মান মাহমুদ, সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমানসহ র্যাবের প্রতিটি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/এআরআর/এফএস/