তিনি বলেন, এখানে আইনের প্রয়োগ সমান নয় এবং সবার জন্য সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনৈতিক ও কমিউনিটির নেতাদের কথা বলতে দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান সকল ধর্মের নিরাপত্তা দেয় এবং এটি নিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কোনও অভিযোগ নেই।
এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে সারাহ সহিংস উগ্রবাদ নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, সহিংস উগ্রবাদ একটি নতুন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ এবং সন্ত্রাসের কোনও ধর্ম এবং সীমানা নেই। উগ্রবাদিরা এখন সামাজিক গণমাধ্যম ব্যবহার করে তাদের ঘৃণ্য মতবাদ প্রচার করছে।
তিনি বলেন, ‘এ ধরণের হিংসার আচরণ শুধুমাত্র বাংলাদেশের লোকদের ওপরেই আক্রমণ নয়, এটি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের লালিত ধর্মের প্রতি সহনশীলতা, উন্মুক্ত সমাজব্যবস্থা ও পরমতসহিষ্ণুতার ওপর আক্রমণ।’
তার মতে, বলপ্রয়োগ করে সকল ধর্মাবলম্বিদের রক্ষা করা সম্ভব নয় এবং এজন্য আমাদের মিলিটারি শক্তির বদলে সামগ্রিক পদক্ষেপ নিতে হবে।
সরকার যদি সঠিকভাবে শাসনকার্য পরিচালনা করে তবে উগ্রবাদিদের পক্ষে কাজ করা মুশকিল হয়ে পড়বে।
সারাহ স্যুয়েল বলেন, উগ্রবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে সরকার যদি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা বা অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করার কাজে ব্যবহার করে, তাহলে সেটি জনগণকে উগ্রবাদের দিকে ঠেলে দেবে।
এসএসজেড/ এপিএইচ