অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, “জ্বালানি আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এপ্রিলে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হবে সংস্থাটির স্প্রিং মিটিং, যেখানে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচনা হবে।”
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “আইএমএফ থেকে পরবর্তী কিস্তি হিসেবে এক দশমিক তিন বিলিয়ন বা ১৩০ কোটি ডলার পাওয়ার বিষয়ে এপ্রিলে বোর্ড সভায় চূড়ান্ত আলোচনা হবে। ধারণা করছি, জুলাইয়ে ঋণের কিস্তি পাওয়া যাবে।”
তিনি আরও বলেন, “চলমান প্রোগ্রাম পুনর্মূল্যায়ন হবে। তবে, সব শর্ত একসঙ্গে পূরণ করা সম্ভব নয়। প্রাসঙ্গিক পরিস্থিতি অনুযায়ী শর্তগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করতে হবে।”
অর্থমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, “জ্বালানি সংকটের মুহূর্তে সরকার একা এ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে না। দেশবাসীকে সংযমী ও সহানুভূতিশীল হতে হবে। দেশের পরিবহন ও গার্মেন্টস খাতে কোনও সমস্যা হয়নি। তেলের অভাবে কোনও পরিবহন বন্ধ হয়নি।”
বৈঠকের পর কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন বলেন, “ঋণ কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিকেও প্রভাবিত করছে।”