বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দৈনিক ২৪৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সংস্থান নিশ্চিত হয়েছে। বর্তমানে দৈনিক ১২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য এ ই সুলতান মাহমুদ বাবুর এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মন্ত্রী এ কথা জানান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সপ্তম দিনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী বলেন, দেশে গ্যাস সংকট নিরসনে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধিকল্পে স্বল্প, মধ্য ও দীর্মেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় আগামী এক বছরে মোট ১১৭টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
দেশে গ্যাস সংকট নিরসনে পেট্রোবাংলা গৃহীত অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও ওয়ার্কওভার কার্যক্রমের অগ্রগতি ও গ্যাস মজুত সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার পেট্রোবাংলা কর্তৃক ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মপরিকল্পনার আওতায় ২০২২ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ২৫টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে দৈনিক ২৪৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সংস্থান নিশ্চিত হয়েছে এবং বর্তমানে দৈনিক ১২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
অনশোর ও অফশোর মডেল পিএসসি-২০২৬ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, উৎপাদন-বণ্টন চুক্তির আওতায় স্থলভাগ ও সমুদ্রাঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে পেট্রোবাংলা কর্তৃক প্রস্তুত করা ‘অনশোর মডেল পিএসসি ২০২৬’ ও ‘অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬’ চূড়ান্ত অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন।
সম্ভাব্য নতুন গ্যাস মজুত নিয়ে মন্ত্রী বলেন, পেট্রোবাংলা থেকে গৃহীত কর্মপরিকল্পনার আওতায় সব কূপ খনন কাজের সফল সমাপ্তিতে আনুমানিক ১৫৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত হবে।