নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, সংখ্যালঘুদের রক্ষায় আইনের সঠিক প্রয়োগ করতে হবে। সে সঙ্গে অলাদা মনিটরিং সেল গঠন করলে তাদের ওপর নির্যাতন বা বৈষম্য অনেকটাই কমে আসবে।
সেমিনারে প্রাবন্ধিক মমতাজ লতিফ বলেন, প্রতিটি সংসদ সদস্যের সংখ্যালঘুদের সার্বিক অবস্থা নিয়ে একটি নোট থাকা প্রয়োজন। তিনি বলেন, এছাড়া একটি আলাদা মনিটরিং সেলের মাধ্যমে তাদের সার্বিক অবস্থা তদারকি করা যায়। যেন সংখ্যালঘুরা সমাজের অন্য মানুষের মতো মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারেন।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কাজল দেবনাথ বলেন, একটি রাষ্ট্র কতটা শান্তিপূর্ণ, তা নির্ভর করে সে দেশের সংখ্যালঘুরা কেমন আছেন তার ওপর। তাই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের শর্ত হলো, সব মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আর এটি বাংলাদেশেও হবে। এ সময় তিনি সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করতে প্রধানমন্ত্রীকে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান।
সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্টের আহ্বায়ক পুষ্পিতা গুপ্তা, প্রফেসর ড. অরুন কুমার গৌসামী প্রমুখ।
/এসআইএস/এমএনএইচ/