টুইটে রয়্যাল ফ্রি হাসপাতালের কর্মীদের সেবারও প্রশংসা করেন যুক্তরাজ্য পার্লামেন্টে নিউ হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসনে লেবার পার্টির এই এমপি।
২০১৩ সালে রিজেন্ট পার্ক এলাকার কাউন্সিলর থাকার সময় যুক্তরাজ্যের নাগরিক পার্সিকে বিয়ে করেন টিউলিপ। পরের বছরের মে মাসে সাধারণ নির্বাচনে পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। গত বছরের আগস্টে কয়েক দফা নিজের অসুস্থতার খবর টুইটারে জানিয়েছিলেন টিউলিপ। যদিও সেপ্টেম্বরে পূর্ণ উদ্যমেই কাজ করতে দেখা যায় তাকে।
এ সপ্তাহে নিউ স্টেটসমেনে প্রকাশিত তার এক নিবন্ধ নিয়েও টুইটারে অভিমত দেন টিউলিপ। নিবন্ধটির শিরোনাম ছিল ‘যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টকে কী করে আরও পরিবারবান্ধব করা যায়’। লেবার পার্টির রাজনীতিতে ‘উদীয়মান তারকা’ টিউলিপ সেপ্টেম্বরে সংস্কৃতি, গণমাধ্যম ও ক্রীড়াবিষয়ক শ্যাডো মিনিস্টার মাইকেল ডাগারের ব্যক্তিগত সচিবের স্থায়ী দায়িত্ব পান। এছাড়া, তিনি নারী ও সমতাবিষয়ক যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টারি সিলেক্ট কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
/পিএইচসি/এমএনএইচ/আপ-এআর/