হৃদরোগ ও কিডনি রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়ে স্বস্তি

হার্টের রিং, ডায়ালাইসিস ফিল্টার ও অন্যান্য জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সামগ্রীর ওপর ভ্যাট ও কর প্রত্যাহারের ফলে চিকিৎসা ব্যয় কমতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী এসব কর ছাড়ের ফলে হৃদরোগ ও কিডনি রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়ে স্বস্তি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে হার্টের রিংয়ের জোগানদার পর্যায়ে আরোপিত ১০ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে প্রতিটি রিংয়ের দাম প্রায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে হৃদ্‌রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ কিছুটা হ্রাস পাবে।

একইসঙ্গে কিডনি রোগীদের জন্য ব্যবহৃত ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানির ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ৫ শতাংশ অগ্রিম কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে এসব ফিল্টারের দাম কমার পাশাপাশি নিয়মিত ডায়ালাইসিস ব্যয়ও কমবে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এতে প্রতি রোগীর ডায়ালাইসিস খরচ গড়ে প্রায় ৮০০ টাকা পর্যন্ত কমতে পারে।

এছাড়া কিডনি রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হেমোডায়ালাইসিস ব্লাড টিউবিং সেট আমদানির ওপর বিদ্যমান সাড়ে ৭ শতাংশ অগ্রিম করও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন। তিনি ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেন, যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বাজেট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে মোট আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি পূরণে দেশি ও বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।