বিগত ২০২৪ ও ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের আওতাভুক্ত ১৮৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনও শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
রবিবার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ষষ্ঠ দিন সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বিগত ২০২৪ ও ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাভুক্ত সর্বমোট ১৮৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনও শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি। সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। শতভাগ অকৃতকার্য ফলাফলপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পদক্ষেপগুলো হলো— সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে; প্রতিষ্ঠান প্রধান ও বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও অ্যাকাডেমিক সহায়তা কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে; দুর্বল ফলাফলের কারণ চিহ্নিত করতে নিয়মিত পরিদর্শন ও মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে; শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি নিরূপণ ও রেমিডিয়াল বা ক্যাচ-আপ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে; শিক্ষা বোর্ড, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর এবং সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ফলাফলের ধারাবাহিক মূল্যায়ন ও তদারকি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো, কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন ধারাবাহিকভাবে শূন্য পাসের অবস্থায় না থাকে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা।