স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের বাড়ির আশপাশ কক্সবাজার, টেকনাফ দিয়ে দেশের মাদকের সবচেয়ে বড় চালান আসে বলে জানিয়েছেন সরকারি দল বিএনপির সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৬তম দিন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
বিএনপির সিনিয়র নেতা ও সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আরেকটা বিষয় আছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আমাদের দেশের মাদকের সবচেয়ে বড় চালান আসে উনার বাড়ির আশেপাশ দিয়ে, কক্সবাজার, টেকনাফ। আগে শুনতাম বদী, এখন তো বদী নাই, বদী তো বদ হয়ে গেছে গা। এখন ওইখানকার দায়িত্বটা কে নিছে। বাড়ির আশেপাশের লোক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তো চেনার কথা। এতদিন ওইদিক দিয়া মাদক আসা বন্ধ হওয়া উচিত ছিল। আইন দিয়া কোনও কিছু হয় না। আইন কার্যকরী করার জন্য সাহস লাগে, সৎ সাহস লাগে, ইচ্ছা লাগে। সুতরাং আমাদের একটা বড় চ্যালেঞ্জ এখন বাংলাদেশে মাদক আসক্ত।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এই আমার এলাকায় মানে ঢাকা-৩ এ একটাই হসপিটালের সাইনবোর্ড লেখা আছে, আমাদের সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ ভাই তার নাম লেখা আছে এখানে উদ্বোধন করছেন। আমানউল্লাহ আমান সাহেব উপস্থিত ছিলেন। একটা স্টোন আছে। ১০ শয্যা বিশিষ্ট একটা হসপিটাল পুরা মাদক আক্রান্ত, মানে রোগীও নাই ডাক্তারও নাই দারোয়ানও নাই। মাঝে মাঝে তিনটা ছাগল বসে থাকে। একটা নির্বাচনি এলাকার মধ্যে ১০ শয্যা বিশিষ্ট একটা হসপিটাল আছে কী গর্ব আমাদের কী অহংকার আমরা কত আগাইছি কত কিছু কইরা ফেলাইছি দেশের জন্য। যেখানে আদমশুমারি অনুযায়ী লোকসংখ্যা হলো ৬ লাখ সাড়ে ৬ লাখ। কিন্তু বেসরকারিভাবে ১৫ লাখ লোকের বসবাস একটি আসনে ঢাকা-৩ এ। সেখানে একটা হসপিটাল আছে, তার মধ্যে মাদক আসক্ত।