‘ট্রাফিক পুলিশকে অনুরোধ না করতে সব মন্ত্রীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী’  

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, একটা মন্ত্রী একদিন ট্রাফিক সিগনালে আটকে গেছেন, তার গান ম্যানকে বলেছেন, সার্জেন্টকে গিয়ে বলতে, মন্ত্রী সাহেব আছেন একটু ছেড়ে দেন। ওই কথাটা প্রধানমন্ত্রীর কানে চলে যায়। কেবিনেট মিটিংয়ে উনি উল্লেখ করেন, একজন মন্ত্রী এই কাজ করেছেন আর যেন কোনোদিন না শুনি, সো কেয়ারফুল।

রবিবার (৫ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এই বাংলাদেশের মানুষ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে নিয়ে যদি দেশটাকে উন্নত না করতে পারে, আর কোনও প্রধানমন্ত্রী এসে পারবে না। কেন পারবে না জানেন, কারণ আমরা উনাকে ভয় পাই। এই যে উনি সচিবালয় অফিস করেন এত বড় প্রাসাদ রেখে, কেন? এতে মজা কী? অফিস করেন আমাদের নিয়মানুবর্তিতা শেখানোর জন্য। উনি ওখানে বসার পর থেকে আমাদের কলিজা থেকে পানি যায় না। পৌনে ৯টার আগে সব মন্ত্রী, সচিব, অফিসার হাজির। এই সংসদে সকাল থেকে রাত ১১-১২টা পর্যন্ত… আমরা অনেক সময় ঘুমঘুম ভাব হয়ে যাই, উনার চোখে একবারও ঘুম দেখি না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এত পরিশ্রম… উনি বসে থাকেন আমাদের সংসদে পাংচুয়েট করার জন্য। উনি ক্যান্টিনে বসে খান, আমাদের অভ্যাস করানোর জন্য। যাতে করে আমরা মানুষের সঙ্গে মিশি। উনি গাড়ি নিয়ে সিগনালে থামেন। এটা কিন্তু লোক দেখানোর জন্য না। আমরা যাতে অহংকার করে ট্রাফিক থামা অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে না যাই।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কাজ করতে চান দেশের জন্য। কাজেই এই সুযোগ যদি আমরা হারাই, উনাকে ফলো না করি, আমাদের অপরাধ হবে। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মনে করি, দেশটাকে গড়ার একটা সুন্দরতম সুযোগ এসেছে। আপনারা সহযোগিতা করুন, আমাদের নেতা তারেক রহমান উদার হস্তে আপনাদের দেবেন। দেশের স্বার্থে ৭০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছেন। প্রয়োজনে আরও ৩০ হাজার কোটি টাকা এই বছরে উনি বাড়িয়ে দেবেন, যদি আমরা পারফরমেন্স শো করতে পারি।