রফতানিকে অগ্রাধিকার দিয়ে অর্থনীতিকে সাজাতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আমাদের দেশে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের প্রশ্ন যদি এখন এই মুহূর্তে নাও মোকাবিলা করতে হতো— তাহলেও রফতানির ক্ষেত্রে যে চ্যালেঞ্জগুলো আমাদের আছে, অথবা রফতানির বাইরে অর্থনীতিকে অন্য কোথাও অগ্রাধিকার দেওয়ার কি কোনও সুযোগ আমাদের ছিল? নিশ্চয়ই আমার সঙ্গে আপনারা সবাই একমত যে, অবশ্যই রফতানিকে অগ্রাধিকার দিয়েই আমাদের অর্থনীতিকে সাজাতে হবে। যে চ্যালেঞ্জগুলো আমাদের আছে, সেই চ্যালেঞ্জগুলো এলডিসি থেকে উত্তরণের পরে বাড়বে কিন্তু কমবে না।’’

সোমবার (৬ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এলডিসি উত্তরণ বিষয়ে এক সাংবাদিক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি সরকারকে ধন্যবাদ জানাই যে, ইতোমধ্যেই গত ফেব্রুয়ারি মাসে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে তারা সময় পেছানোর জন্য অনুরোধ করেছেন এবং সেই অনুযায়ী এটি পিছিয়ে যাচ্ছে। আগামী নভেম্বরের যে বাধ্যবাধকতা আছে, সেখান থেকে এটা পিছিয়ে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত চলে যাওয়ার একটা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘যদিও সংশ্লিষ্ট কমিটি নানান রকম শর্ত দিয়েছে এবং সেই শর্তগুলো অবশ্যই ন্যায্য এবং যৌক্তিক। আমাদেরকে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন সম্পর্কে গভর্নমেন্টের যারা সংশ্লিষ্ট পলিসি মেকার আছেন এবং এটার সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আছেন— আমি আস্থা রাখতে চাই, তারা নিশ্চয়ই এ বিষয়ে মনোযোগী এবং তারা আমাদের এই বর্ধিত সময়কে সম্পূর্ণভাবে, যদি এই তিন বছর আমরা পাই, তাহলে সম্পূর্ণভাবেই যেসব নীতিকাঠামোতে সংস্কার আনলে পরে আমাদের রফতানির প্রবৃদ্ধি বাড়বে, গতি বাড়বে, এর চ্যালেঞ্জগুলোকে মোকাবিলা করা যাবে।’’

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘ধরে নিতে পারি যে, আমাদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা তিন বছর একটা বর্ধিত সময় পাবো। অতএব, সব আলোচনায় কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাদেরকে নিয়ে যেতে হবে যে, এই তিন বছরকে আমরা কী কাজে লাগাবো এবং কোথায় কোথায় কাজে লাগানো উচিত, কোথায় কোথায় কাজে লাগালে প্রকৃত অর্থেই আমাদের রফতানির সক্ষমতা বাড়বে এবং সেখানে আমাদেরকে প্রথমেই কিন্তু সেই তালিকাটা জানতে হবে, যেই তালিকাটা হচ্ছে— আমাদের রফতানির জন্য চ্যালেঞ্জ এবং এটা খুব পরিষ্কারভাবে যত ছোটখাটো সমস্যায থাক না কেন, সব সমস্যারই কিন্তু তালিকা আমাদের সামনে আসতে হবে। বিশেষ করে অর্থনীতিবিদরা এটা তুলে ধরবেন।’’