প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় আত্মবিশ্বাস আছে: মাহদী আমিন

ঢাকা সফররত মার্কিন দূত সার্জিও গোরের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ওপর দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। একটি সুন্দর গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বহমান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গত প্রায় পাঁচ মাস ধরে রাষ্ট্র পরিচালনায় যে নীতিগুলো গ্রহণ করেছেন, সেগুলোরও প্রশংসা করা হয়েছে।’

শনিবার (১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মার্কিন দূত সার্জিও গোরের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক বিষয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।

বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বহুমাত্রিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, ‘এই সম্পর্ককে আরও গভীর অর্থনৈতিক বন্ধনের মাধ্যমে কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে বলেছে, এই অংশীদারত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশে কীভাবে বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, বাণিজ্য সম্প্রসারণ করা যায়, মার্কিন কোম্পানিগুলো কীভাবে বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কী ধরনের নীতিগত সহায়তা দেওয়া যেতে পারে—এসব বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, রফতানি ও আমদানি কীভাবে বাড়ানো যায়, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় প্রায় ২৫টি শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪৫ জন ব্যবসায়িক নেতা ও প্রথম সারির কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফরে আসবেন। তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বৃদ্ধির একটি প্রথম পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় এবং গুরুত্বপূর্ণ দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তারা ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও তাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

উপদেষ্টা বলেন, ‘অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আজকের এই আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে। এর ভিত্তিতে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও বেশি বাণিজ্য করব এবং সে দেশ থেকে আরও বেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করব। বাংলাদেশে, ইনশাআল্লাহ, আরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।’