নববর্ষের আয়োজনে যোগ দিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, রমনা, শিশুপার্কসহ আশপাশের এলাকায় আসতে শুরু করেছেন রাজধানীবাসী। পহেলা বৈশাখের উৎসবকে আরও আনন্দময় করতে প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন তারা। তবে সকালের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পুলিশসহ অন্যরা জানাচ্ছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ভিড় কিছুটা কম বলেই মনে হচ্ছে।
রমনা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় সর্বসাধারণের প্রবেশ পথগুলো ঘুরে দেখা গেছে, শাহবাগ, রমনা, নীলক্ষেতসহ সবকটি রাস্তায় ও প্রবেশপথে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মানুষ লাইন ধরে রমনা ও ঢাবি এলাকায় প্রবেশ করছেন। নারীদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে তারা যে কোনও লাইন ধরেই প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন।
এবার শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে পহেলা বৈশাখের ছুটি যুক্ত হয়ে তিন দিন হওয়ায় অনেকেই রাজধানী ছেড়ে গেছেন। একারণেই বর্ষবরণের অনুষ্ঠান স্থলগুলোসহ রাস্তায় মানুষে চাপ তুলনামূলক কম দেখা যাচ্ছে। তবে বিকালের দিকে মানুষের ভিড় একটু বাড়তে পারে। যদিও চারটার মধ্যে রমনা ও সোহরাওয়ার্দি ও ঢাবি এলাকার প্রবেশপথগুলো বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় এবার ক্যাম্পাস ও রমনা এলাকায় খাবারের দোকান ও খুচরা বিক্রেতাদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। তবে এরপরও সোনারগাঁ থেকে শাহবাগ হয়ে মৎস্য ভবন পর্যন্ত রাস্তায় এবং ক্যাম্পাসের ভেতরে বিভিন্ন স্থানে শসা, তরমুজ, ডাবসহ ভ্যানে ছোট ছোট ফলের ও খাবারের দোকান দেখা গেছে। ডুগডুগি, পাখা, ঢোল, একতারার মতো বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র ও শৌখিন জিনিসপত্র বিক্রি হতেও দেখা গেছে।
পুলিশ সদস্যরা জানান, ভুভুজেলা ব্যবহার না করার আহ্বান জানানো হয়েছিল। তবে বর্ষবরণে যোগ দিতে আসা অনেকের হাতেই ভুভুজেলা দেখা যাচ্ছে। পুলিশ তাদের এগুলো বাজাতে বাধাও দিচ্ছে না।
আরও পড়ুন-
বৈশাখী সাজে শুভেচ্ছা জানালেন বার্নিকাট
বর্ষবরণ: ভিড় দেখে নিরাপত্তা দেবে পুলিশ
/জেইউ/এফএস/এপিএইচ/