ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পূর্ব ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী বিকেল ৫টার মধ্যে পার্ক ও উদ্যান খালি করে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রমনা জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) জসীম উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে দর্শনার্থীদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। আমরা পূর্ব ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী কাজ করছি। নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য সবকিছু করা হচ্ছে।’
রমনা পার্কে থাকা পুলিশের কন্ট্রোল রুম থেকে মাইকিং করে দর্শনার্থীদের বের হয়ে যাওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সবাইকে নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করছে পুলিশ।
রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিকাল সোয়া ৫ টার দিকে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রমনা পার্ক ৯০ শতাংশ ফাঁকা করে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১০ শতাংশ করতে হয়তো আর ১৫ মিনিট লাগবে। আমরা দর্শনার্থীদের বুঝিয়ে ধীরে ধীরে বের হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছি।’
পহেলা বৈশাখে বিকেল ৫টার মধ্যে সব ধরনের অনুষ্ঠান শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আর সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে পাবলিক প্লেস থেকে লোকজনকে সরিয়ে দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘দেশের কোথাও বিকেল ৫টার পর খোলা জায়গায় নববর্ষের অনুষ্ঠান করা যাবে না। আর সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার গণজমায়েত খালি করতে হবে। মঙ্গল শোভাযাত্রায় কেউ মুখোশ পরতে পারবে না। ভুতুড়ে বাঁশি (ভুভু জেলা) বাজানো নিষিদ্ধ।’
এরই ধারাবাহিকতায় রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ফাঁকা করা হচ্ছে।
/এআরআর/ এমএসএম /