লালবাগ কেল্লায় ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসব, যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী  

ঐতিহ্যবাহী ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসবে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৯ আগস্ট রাজধানীর লালবাগ কেল্লায় এই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এটাই হবে এই উৎসবের সর্বশেষ আয়োজন।  

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নগরভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে উৎসবের বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম।

তিনি জানান, ঐতিহ্যবাহী ঢাকার সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সংস্কৃতি তুলে ধরতে বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এবারের ৪১৬ বছরের উৎসব উদযাপন করা হবে। ‘উৎসব, গর্ব ও দায়িত্ব’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকার ঐতিহ্যকে পুনরায় জাগ্রত করার প্রত্যাশা থেকেই এ আয়োজন করা হচ্ছে। মানুষ যখন ঢাকাকে হৃদয়ে ধারণ করে বসবাস করবে, তখনই তারা শহরটিকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ববোধও অনুভব করবে।

এদিকে, উৎসবকে ঘিরে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচি আয়োজন করা হবে বলে জানান তিনি।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ২৯ তারিখ বিকেল ৪টায় লালবাগ কেল্লায় ফাইনাল আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন যে, তিনি সেখানে উপস্থিত থাকবেন এবং আমাদের এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী এবং উত্তরের প্রশাসকও সেখানে থাকবেন। এখানে মূল যে প্রোগ্রামটা সেখানেও প্রধানমন্ত্রীকে রাখার জন্য আমরা চেষ্টা করবো। 

তিনি বলেন, এখানে আমাদের শিশুদের নৃত্য পরিবেশনা থাকবে। ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন স্থল থাকবে। ঢাকার ওপর রচিত অনেকে বই আছে, সেটার একটা প্রদর্শনী থাকবে। আদি ঢাকার বিখ্যাত খাবারের স্টল সেখানে থাকবে এবং সেখানে প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ করবেন। তারপরে লালবাগের কেল্লা পরিদর্শন করবেন। ফেস্টুন ও বেলুন অবমুক্তকরণের মধ্য দিয়ে তিনি প্রোগ্রামটা উদ্বোধন করবেন এবং সেখানে পায়রা অবমুক্ত করা হবে।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আদি ঢাকার ঐতিহ্য ঘুড়ি উৎসব সেখানে উদ্বোধন হবে। আর ওইখান থেকেই আবার এ দিন ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকার ও বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করা হবে। এর পরপরই প্রতিটি ওয়ার্ডে আমাদের সেই প্রোগ্রামটা হবে। আর সেখানে আ‘হৃদয়ে ঢাকা’ শিরোনামে একটা প্রামাণ্য চিত্র আমরা প্রদর্শন করবো। ঢাকার একটা স্মারকগ্রন্থ উন্মোচন করবো। আশা করছি, ঢাকা দিবসের ওপরে একটি স্মারক ডাক টিকেট উন্মোচন করা হবে, যদি মন্ত্রণালয় অ্যাপ্রুভ করে। এই প্রোগ্রামগুলো হয়ে যাওয়ার পরে আমরা বিরতি দেবো, তারপর আমরা একটা লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিয়ে প্রোগ্রামটাকে শেষ করবো।