সরিয়ে দেওয়া হলো সংবাদ সম্মেলনে ‘কান্না করা’ রংপুরের পুলিশ কমিশনারকে

রংপুরে আলোচিত চার খুনের ঘটনার পর রংপুর মহানগর পুলিশের (আরপিএমপি) কমিশনার আব্দুল মামুদকে বদলি করা হয়েছে। তার পরিবর্তে পুলিশের বিশেষ শাখার ডিআইজি মাহবুবুর রশিদকে রংপুরের নতুন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ অধিশাখা-১ এর উপসচিব তৌছিফ আহমেদ সই এক প্রজ্ঞাপনে এ রদবদল করা হয়।

এর আগে গত ১২ আগস্ট রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পান আব্দুল মাবুদ। এর মাত্র ১৩ দিনের মাথায় আবার তাকে বদলি করা হলো।

এদিকে প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার আসলাম উদ্দিনকে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নুরুল আমীনকে সংযুক্ত করা হয়েছে খাগড়াছড়িতে এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার (২৩ আগস্ট) রাতে রংপুর নগরের কামালকাছনা এলাকার একটি তিনতলা বাড়ি থেকে চার জনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তারা হলেন, রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী (১৩)। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে রবিবার ভোরে দুজনকে আটক করার কথা জানায় পুলিশ। সিদ্ধার্থ দাস (১৯) ও মুগ্ধ দাস (২৩) নামের ওই দুই তরুণের বাড়ি গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির কাছে।

এরপর রবিবার বেলা দেড়টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশ বিস্তারিত তথ্য জানান পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ। সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিতে গিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে যান তিনি। যা নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা হয়।