বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্বাচনি এলাকা ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য ঘোষণা করার পরে সেখানে উপ-নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে পোস্টাল ব্যালটে ভোট গ্রহণ করা হবে বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। সে ক্ষেত্রে ওই আসনের প্রবাসী ভোটার এবং দেশে থাকা সরকারি চাকরিজীবী ও ভোটের দায়িত্ব নিয়োজিতরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তিনি।
এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা আজ একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট নেওয়ার জন্য। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে খুব লিমিটেড ভোটার হবে। আমরা পোস্টাল ব্যালটের আমাদের যারা এক্সপার্ট আছে তাদের ইনপুট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তাদের কয়েকটা ভোটের সুযোগ দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের কমিশনার আবুল ফজল সানাউল্লাহ এটা দেখতেন। তাকে বলা হয়েছে, টু গো অ্যাহেড। এটার জন্য যা করার তিনি হয়তো কাজ শুরু করবেন খুব শিগগির।
তিনি বলেন, আমাদের যারা প্রকল্পে কনসালট্যান্ট ছিলেন, তারা এখন ট্রেনিং দিচ্ছেন আমাদের লোকজনকে। আমরা কমিশনে যখন থাকবো না, অন্য কেউ যখন আসবেন, তারা যাতে এই ইলেকশনটা করতে পারেন, পোস্টাল ভোটটা করতে পারেন, তাদের জন্য আমরা লোকজনকে ট্রেনিং দিয়ে যাচ্ছি। তাদের জন্য আমরা ম্যানুয়াল তৈরি করে দেবো, কীভাবে ইলেকশনটা করা যায়।
সিইসি বলেন, আমরা ওয়ান টাইম করলাম, তারপরে ভুলে গেলাম, আর আমরা চলে গেলাম, আর এটা (পোস্টাল ভোট) চলে গেলো..। এটাকে সাসটেইনেবল হতে হবে। সেই লক্ষ্যে ট্রেনিংও চলছে আমাদের লোকজনও আছে। এই পোস্টাল ভোট ফর দ্য ডোমেস্টিক ভোটারস অ্যান্ড অলসো ফর দ্য আউট অব দ্য কান্ট্রি ভোটারস। এটা করবো আমরা।