জাতীয় পে স্কেল

২০৩০ সালের মধ্যে ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ চালু করবে সরকার

সামরিক ও অসামরিক কর্মচারীদের জন্য ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ বা ওয়ান র‌্যাংক ওয়ান পেনশন (ওআরওপি) পদ্ধতি ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সোমবার (৩১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ অনুমোদনের সময় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বর্তমান সরকার ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ বা ওআরওপি পদ্ধতি চালুর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ পদ্ধতি সামরিক ও অসামরিক—সব ক্ষেত্রে একইসঙ্গে বাস্তবায়ন হওয়া প্রয়োজন।

তবে ওআরওপি পদ্ধতি এই মুহূর্তে বাস্তবায়ন করতে গেলে বিপুল আর্থিক সংশ্লেষের প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি অসামরিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালের পূর্বে অবসরগ্রহণকারীদের কোনো তথ্য নেই। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার ওআরওপি পর্যায়ক্রমে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে ওআরওপি বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে অবসরভোগী পেনশনধারীদের জীবনযাত্রার মান ও বৃদ্ধ বয়সের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে স্ল্যাবভিত্তিক নিট পেনশনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাসিক ৯ হাজার টাকা বা তার কম নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের নিট পেনশন ১০০ শতাংশ, ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের নিট পেনশন ৫৫ শতাংশ বাড়বে।

অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এর ফলে দীর্ঘদিন আগে অবসরে যাওয়া এবং তুলনামূলক কম নিট পেনশন পাওয়া পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে নিট পেনশন বৃদ্ধির পরিমাণ অনেক বেশি হবে।

পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও ধাপভিত্তিক নিট পেনশন বৃদ্ধি কার্যকর হবে।