সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর ফলে বাজারে যে প্রভাব পড়বে, সেটি বিবেচনায় নিয়েই নতুন জাতীয় বেতনস্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তথ্য মন্ত্রণালয়ের পিআইডি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নের ফলে বাজারে মূল্যস্ফীতির ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়বে—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এ কারণেই পুরো অর্থ একসঙ্গে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, মানুষের হাতে টাকা না থাকলে তারা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারেন না। মানুষের হাতে টাকা দেওয়া হলে তারা পণ্য কিনবেন এবং এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে। এ বিবেচনাও বেতনস্কেল নির্ধারণের ক্ষেত্রে নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যারা আগে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারতেন না, বেতন বাড়লে তারা আরও বেশি পণ্য কিনতে পারবেন। ফলে বিষয়টির অর্থনীতিতে প্রভাব রয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, বেতনস্কেল বাস্তবায়নের ফলে বাজারে যে প্রভাব পড়বে, সেটি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে—তা বাস্তবায়নের পর দেখা যাবে।
এর আগে মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ অনুমোদন করা হয়। সরকারের আর্থিক সক্ষমতা ও সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির ওপর প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে এটি একযোগে বাস্তবায়ন না করে চলতি ২০২৬-২৭ ও আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।