মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে যাবেন ১০ হাজার কর্মী, সুযোগ পাচ্ছে আরও ৩১২ এজেন্সি

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে দেশটির সরকার। বিমানভাড়াসহ অভিবাসনের প্রয়োজনীয় ব্যয় কর্মীদের বহন করতে হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। 

একই সঙ্গে মালয়েশিয়া সরাসরি নির্বাচিত ২৫টি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সির পাশাপাশি আরও ৩১২টি প্রতিষ্ঠানকে ‘অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটিং এজেন্সি’ হিসেবে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দিচ্ছে। 

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) তথ্য অধিদফতরে সরকারের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান তথ্য উপদেষ্টা। 

তিনি বলেন, “মালয়েশিয়া তাদের শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ ও নেপালকে ২৫টি করে এবং ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমারকে ১০টি করে প্রধান রিক্রুটিং এজেন্সি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোন এজেন্সি অনুমোদন পাবে, সেটি মালয়েশিয়া সরকারের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।” তবে বাংলাদেশ সরকার আরও বেশি বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিকে প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার অনুরোধ জানায় বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

জাহেদ উর রহমান বলেন, সেই অনুরোধ বিবেচনায় নিয়ে মালয়েশিয়া ২৫টি মূল এজেন্সির পাশাপাশি আরও ৩১২টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানকে সহযোগী বা অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটিং এজেন্সি হিসেবে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে। 

এটিকে সরকারের দরকষাকষির একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। 

তিনি বলেন, “আগে থেকেই থাকা ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকার মধ্যে বিভিন্ন বিতর্ক ও সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বাদ দিয়ে অন্যদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে সরকার মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করেছে।” 

একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে ১০ হাজার কর্মীকে ‘জিরো কস্টে’ নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, “১০ হাজার সংখ্যাটা গুরুত্বপূর্ণ। তারা সম্পূর্ণ ব্যয়মুক্তভাবে যাবেন। বিমানভাড়াসহ অভিবাসনের ব্যয় কর্মীদের বহন করতে হবে না।”