মাতারবাড়ীতে ভিড়বে ১৬ মিটার ড্রাফটের জাহাজ, বাড়বে সক্ষমতা 

দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গতিশীল করতে চট্টগ্রাম বন্দর আধুনিকায়ন এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণে ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। মাতারবাড়ীতে ১৬ মিটার ড্রাফট এবং ৮ হাজার টিইইউএস ধারণক্ষমতা সম্পন্ন জাহাজ ভিড়তে পারবে, যা দেশের অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এসব তথ্য জানান। এর বেলা ৩টায় শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীব বিক্রম।

মগনামায় গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের কোনও সিদ্ধান্ত আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, মগনামায় নয়, কক্সবাজারের মহেশখালী এলাকায় জাইকার সহযোগিতায় ‘মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়ন’ প্রকল্পটি চলমান রয়েছে। এটি চালু হলে বাণিজ্যিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পিপিপি মডেলের আওতায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ড্যানিশ প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদনে যাবে। এছাড়া পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালটি (পিসিটি) বিদেশি অপারেটর রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি)-এর মাধ্যমে পরিচালনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি বে-টার্মিনাল নির্মাণের কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।