গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মানে স্বেচ্ছাচারিতা নয়: প্রেস সচিব

বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতার পক্ষে থাকলেও সেই স্বাধীনতার অর্থ কোনোভাবেই ‘স্বেচ্ছাচারিতা’ নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী)। তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সীমা কতটুকু হবে, তা নির্ধারণের দায়িত্ব সরকার কিংবা জনগণের নয়; এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার কেবল আদালতের।’

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সংবাদমাধ্যমে অসত্য তথ্যের বিস্তাররোধ করার আহ্বান জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, ‘গুজব, গুঞ্জন ও অপপ্রচার রুখতে প্রতিটি গণমাধ্যমকে নিজস্ব উদ্যোগে নিয়মতান্ত্রিক ‘ফ্যাক্ট চেকিং’ প্রোগ্রাম বা তথ্য যাচাইয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে এর কোনও বিকল্প নেই।’

আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে সালেহ শিবলী বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহ্যগত ধারাবাহিকতা রক্ষা করে এবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ শুধু দেশের জন্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও এক বড় গৌরবের বিষয়।’

দেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রেস সচিব জানান, বিগত দিনের ভঙ্গুর প্রশাসনিক কাঠামো এবং চলমান বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ পরিস্থিতিকে সাফল্যের সঙ্গে মোকাবিলা করে বর্তমান সরকার দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

সব ধরনের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ঝুঁকি কাটিয়ে বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি অত্যন্ত নিরাপদ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।