‘সৌদি আরবকে মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে মর্যাদা দেয় বাংলাদেশ’ 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও এলজিআরডি মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, সৌদি আরবকে মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে মর্যাদা দেয় বাংলাদেশ। দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত হবে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল শেরাটনে সৌদি আরবের ৯৬তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সৌদি আরবের জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশটির সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক শুধু রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়। ধর্মীয় বন্ধন, ঐতিহাসিক সম্পর্ক, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে এ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। সময়ের সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি, অবকাঠামো, শিক্ষা, প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ সহযোগিতা বিস্তৃত হয়েছে।

তিনি বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। সৌদি আরবে বসবাস ও কর্মরত লাখ লাখ বাংলাদেশি দুই দেশের জনগণের সম্পর্ককে আরও গভীর করেছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহযোগিতা ও যত্ন নেওয়ার জন্য সৌদি সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ সৌদি আরবকে মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে মর্যাদা দেয়। জাতিসংঘ, ওআইসিসহ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মে দুই দেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। আঞ্চলিক শান্তি, সংঘাত প্রশমন এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সৌদি আরবের পুঁজি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাজার, উৎপাদন সক্ষমতা ও দক্ষ জনশক্তির সমন্বয় দুই দেশের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে। জ্বালানি, বন্দর, অবকাঠামো, খাদ্য নিরাপত্তা ও লজিস্টিকসসহ বিভিন্ন খাতে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশকে সৌদি আরবের দেওয়া উন্নয়ন সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ অংশীদারত্বে রূপ দিতে বাংলাদেশ সৌদি আরবের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে প্রস্তুত।

তিনি সৌদি আরবের সরকার ও জনগণের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।