অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে যা বললেন চীনের রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বহুমুখী সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগের নতুন যুগান্তকারী আঞ্চলিক কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীন ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং দুই দেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক বন্ধনে আবদ্ধ। বিশেষ করে ইয়ুনান প্রদেশ ও বাংলাদেশের মধ্যে পরিবহন, কৃষি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সংস্কৃতি, পর্যটন ও শিক্ষাখাতে পারস্পরিক সহযোগিতার অপার সম্ভাবনা রয়েছে।’

তিনি বলেন, এসব ক্ষেত্রে সম্পর্ক সম্প্রসারণ দুই দেশের মানুষের যোগাযোগ বাড়ানো এবং ‘বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর’ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, কয়েক দশক ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও বাণিজ্যিক সংগঠন দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে। উচ্চপর্যায়ের সাম্প্রতিক প্রতিনিধি দলগুলোর সফর এই সহযোগিতাকে নতুন মাত্রায় পৌঁছে দেবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ইয়াও ওয়েন বলেন, চীনা দূতাবাস দুই দেশের পারস্পরিক উন্নয়ন ও সংযোগ বাড়াতে একটি পরিপূরক সেতু হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবে। বাংলাদেশের সব খাতের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যৌথ সমৃদ্ধি অর্জনে চীন দৃঢ়ভিত্তিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চীনের সিপিসি ইয়ুননান প্রোভিন্সিয়াল কমিটির স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য চাও চুনমিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট নাজমুল হক নান্নু।