দেশের বিভিন্ন স্থানের পুরনো স্থাপনার কাঠামো সংস্কারের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন প্রকৌশলীর মাধ্যমে নকশা করে তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত জানাবেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, বিকল্প নকশা উপস্থাপনের পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আগেই চেয়েছিলাম বাড়িটির পুরনো কাঠামো ঠিক রেখে সংস্কার করা হোক। এ বিষয়ে দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু যারা ৫-৬ বছর ধরে বাড়িটি সংস্কার করছিলেন, তারা আমাকে না জানিয়ে রং ও বেশ কিছু কাঠামো পরিবর্তনের মাধ্যমে ভবনটি সংস্কার করেন। আমি পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেবো।
এ বিষয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামন নূর বলেন, আমরা তিনটি বিকল্প নকশার প্রস্তাব দিয়েছি, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে চাইবেন আমরা সেভাবেই সেটা সংস্কার করে বসবাস উপযোগী করবো।
এই সংস্কার সরকারিভাবে হবে নাকি ব্যক্তি উদ্যোগে হবে- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, যেহেতু এটি দেড়শ’ বছরের পুরনো ভবন। সরকার চাইলেই ১শ’ বছরের পুরনো ভবন ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের আওতায় সংরক্ষণ করতে পারে। আমরা সেই রকমই করতে চাচ্ছি।
এদিকে বৈঠকে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারটির ভবিষ্যৎ ব্যবহার নিয়েও আলোচনা হয়েছে। জানা গেছে, ঐতিহ্যবাহী সেলগুলো সংরক্ষণ করে বাকি জায়গা স্থানীয় জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, আমি সেখানে যাবো, প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীও যাবেন। সার্বিক পরিস্থিতি দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:
/ইএইচএস/এনএস/এপিএইচ/এজে