এ ধাপে ৭২৫টি ইউনিয়ন পরিষদে মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৪৫ জন। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হচ্ছেন এক হাজার ৭২৩ জন। রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি বাদে আওয়ামী লীগের সব ইউপিতে প্রার্থী রয়েছেন। এ দলটির চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট ইউপিতে কোনও চেয়ারম্যান প্রার্থী নেই। অপরদিকে ৭২৫টি ইউপির মধ্যে ১০৬টিতে বিএনপির কোনও প্রার্থী নেই। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে জাতীয় পার্টির ১৫৬ জন, জাসদ (ইনু) ৪২ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ১৫৪ জন, জাতীয় পার্টি- জেপি ৩ জন, ওয়ার্কার্স পার্টি ৯জন, তরিকত ফেডারেশন ২ জন, এনপিপি ১ জন, সিপিবি ১ জন, জমিয়াতে উলামায়ে ইসলাম ৪ জন, বিএনএফ ২ জন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ২ জন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের ১ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন।
আরও পড়ুন: তনু হত্যার ঘটনা পরিকল্পিত, জড়িত একাধিক ব্যক্তি: বিশেষ পুলিশ সুপার
চতুর্থ ধাপে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় যেসব ইউপিতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সেগুলো হলো- কুমিল্লার চান্দিনার বাড়েরা, চৌদ্দগ্রামের শ্রীপুর ও কাশিনগর, কুষ্টিয়ার কুমারখালীর শিলাইদহ, সদরের বটতৈল, গোপালগঞ্জের মকসুদপুরের গোবিন্দপুর, চট্টগ্রামের রাউজানের পাহাড়তলী, রাউজান, গহিরা, চিকচাইর, হলদিয়া, পূর্ব গুজ্জরা, পশ্চিম গুজ্জরা, ডরকিচর, বাগোয়ান, নোয়াজিযপুর ও ডাবুয়া, জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের রুকিন্দীপুর, নরসিংদীর রায়পুরার চান্দেরকান্দি ও রাধানগর, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির বারগাও, নড়াইল সদরের বিছালী, কালিয়ার কলাবাড়িয়া, ফেনী সদরের ছনুয়া, ছাগলনাইয়ার পাঠাননগর, ফরিদপুর সদরপুরের কৃষ্ণপুর, মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীর সোনারং, লক্ষীপুর সদরের উত্তর হামছাদী, রায়পুরের চরপাতা, বামুনি, চরআবাবিল ও রায়পুর এবং শেরপুর সদরের কামারিয়া।
সোমবার ছিলো এ ধাপের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন। মঙ্গলবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে প্রচার প্রচারণা শুরু হয়েছে। আগামী ৭ মে এ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে।
/ইএইচএস / এমএসএম/