কক্সবাজারে সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ: অনুমোদন পেলো ১.৮৯ একর

কক্সবাজার সদর উপজেলায় ভারুয়াখালী খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণে ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। 

গত ১৫ অক্টোবর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-২ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে ২০২১ সালের ১১ মার্চ দেওয়া ৩ দশমিক ১৫৬৭ একর জমি অধিগ্রহণের আগের প্রশাসনিক অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন ‘পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার সদর উপজেলার রশিদনগর আরএইচডি-খুরুশকুল জিসি সড়ক, ভারুয়াখালী বাজার হয়ে যাওয়ার পথে ভারুয়াখালী খালের ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

সড়কটির ৪ হাজার ৭০০ মিটার চেইনেজে ৩৯২ মিটার দীর্ঘ প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট (পিসি) গার্ডার সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। সেতুটির পরিচিতি নম্বর ৪২২২৪২০০৪। সেতুটির অ্যাপ্রোচ বা সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণের লক্ষ্যে ২০২১ সালের ১১ মার্চ জারি করা এক আদেশে কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ও তেতৈয়া মৌজায় মোট ৩ দশমিক ১৫৬৭ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

তবে নির্মাণাধীন সেতুর সংযোগ সড়কের জন্য জমি অধিগ্রহণের কার্যক্রম পরিচালনার সময় জমির দাগ ও পরিমাণ নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়।

এ কারণে, আগের অনুমোদিত জমির পরিমাণ সংশোধন করে ৩ দশমিক ১৫৬৭ একরের পরিবর্তে ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়ার অনুরোধ জানায় এলজিইডি।

এ বিষয়ে এলজিইডি ২০২৬ সালের ২১ মে স্থানীয় সরকার বিভাগে চিঠি পাঠায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আগের প্রশাসনিক আদেশ বাতিল করে নতুন করে জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়।

স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব এ. বি. এম. আরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, কক্সবাজার সদর উপজেলায় সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য মোট ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হলো।

এ-সংক্রান্ত আদেশের অনুলিপি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী, প্রকল্প পরিচালক এবং কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। বাসস।