ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক থেকে অবরোধকারীদের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ

হরতালের সমর্থনে রাস্তা অবরোধ

তনুসহ সব ধর্ষণ-হত্যা, গুম-খুন ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্যের ডাকা আধাবেলা হরতালের সমর্থনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে থাকা  জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে কমপক্ষে ২০ আহত হন। পুলিশ ছাত্র জোটের ৮-১০ নেতাকর্মীকে আটক করেছে।

সোমবার ভোর ৬টায় ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্র ফেডারেশন ও সাংস্কৃতিক জোটের নেতাকর্মীরা প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্যের ব্যানারে জাবির জয় বাংলা গেট (প্রান্তিক গেট) সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে অবস্থান নিলে রাস্তার উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অবরোধ চলছে।

অবরোধ

নেতাকর্মীদের মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে, মিছিল ও প্রতিবাদী গান গেয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। 

অবরোধ পালনকারী ছাত্রফ্রন্ট জাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক সুস্মিতা মরিয়ম বলেন, ‘গতকাল ২৪ এপ্রিল ছিল রানা প্লাজা ধসের ৩ বছর। একসঙ্গে ১১৩৬ জন শ্রমিক হত্যার বিচার এখনও হয়নি। এছাড়া একের পর এক ব্লগার, লেখক, প্রকাশক, শিক্ষক, শিশু হত্যা ও ধর্ষণের বিচার আমরা এখনও পাইনি। রাষ্ট্র যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছে সাধারণ জনগণ এর আগেও তা মেনে নেয়নি এখনও নেবে না।’

আরও পড়ুন: গণপরিবহনজ্বালানি তেলের দাম কমলো, গণপরিবহনের ভাড়া কমবে তো?

যে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে মহাসড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

অবরোধে আটকা পড়া যানবাহন

আশুলিয়া থানার উপ-পুলিশ পরির্দশক অভিজিৎ চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে ৮-১০ কিলোমিটার পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানবাহনগুলো বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করে তাদের গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা জেফরুল হাসান চৌধুরী সজল জানান, অবরোধ চলাকালীন কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

আরও পড়ুন: রানা প্লাজা হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ

এদিকে, অবরোধের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন চাকরিজীবী, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা। তাদেরকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিতে দেখা গেছে। 

 

/এসটি/