তিনি পাবনা জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি ব্রিটেনের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে নেভাল আর্কিটেকচার বিষয়ে শিক্ষালাভ করেন। পরে তিনি লন্ডনের চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস-এ ভর্তি হন। ১৯৬২ সালে তিনি তার প্রফেশনাল কোর্স সম্পন্ন করেন।
মুক্তিযুদ্ধকালে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া সিলেটের প্রত্যন্ত অঞ্চল শাল্লাকে তিনি তার কর্ম-এলাকা হিসেবে বেছে নেন। এই কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায়ই তিনি ব্র্যাক গড়ে তোলেন। গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে তার দীর্ঘ অভিযাত্রার সূচনা ঘটে।
ফজলে হাসান আবেদ সামাজিক ক্ষেত্রে তার অনন্য সাধারণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’লাভ করেন ২০০৭ সালে।
আরও পড়তে পারেন: বিস্তৃত হচ্ছে ‘জঙ্গি’ টার্গেট
এছাড়া, ২০১৬ সালে ‘টমাস ফ্রান্সিস জুনিয়র মেডেল অব গ্লোবাল পাবলিক হেলথ’ পদক, ২০১৫ সালে ‘ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ’ ২০১০ সালে যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মানজনক উপাধি ‘নাইটহুড’ ২০০৭ সালে ক্লিনটন গ্লোবাল সিটিজেনশিপ অ্যাওয়ার্ডসহ প্রচুর পুরস্কার লাভ করেন।
/এমএনএইচ/