তার এই অকাল প্রয়াণে বাংলা ট্রিবিউনের প্রকাশক কাজী আনিস আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জুলফিকার রাসেল শোক প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনাসহ শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি তারা সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে বাংলা ট্রিবিউন পরিবারও তার মৃত্যুতে শোকাহত।
ফাহিম মুনয়েমের মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তার দুই ছেলে আমেরিকা থেকে আসার পর জানাযা ও দাফন কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। তাকে ঢাকায় দাফন করা হবে।
প্রসঙ্গত, মৃত্যুকালে সাংবাদিক সৈয়দ ফাহিম মুনয়েম-এর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। মাছরাঙা টেলিভিশনের সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, তার দাফনসহ অন্যান্য বিষয়ে পরিবারের সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে। তার মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
ফাহিম মুনয়েম দীর্ঘদিন সংবাদপত্রে কাজ করেছেন। দৈনিক সংবাদ, মর্নিং সান ও ইউএনবিতে কাজ করার পর তিনি ডেইলি স্টারের ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের পদে কাজ করেন। তার বাবা সৈয়দ নুরুদ্দিনও সাংবাদিক ছিলেন। ফাহিম মুনয়েম স্ত্রী ও তিন ছেলে রেখে গেছেন।
২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমেদের প্রেস সচিবের দায়িত্ব পান ফাহিম মুনয়েম।
২০১০ সালে মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের যাত্রা শুরুর সময় তিনি যোগ দেন প্রধান নির্বাহী হিসেবে।
/জেএ/এফএস/ এপিএইচ/