বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী এ প্রস্তাব করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, কখনও কখনও রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ একাধিকবার বর্ধিত হয়। করদাতারা প্রতিবছরই সময় বাড়বে ধরে নিয়ে নির্ধারিত সময়ের রিটার্ন দাখিল করেন না। ফলে কর নির্ধারণ ও রাজস্ব আহরণ কার্যক্রম পিছিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই রিটার্ন জমার জন্য ‘অপরিবর্তনীয় ডেডলাইন দিবস’ আছে। আমি প্রস্তাব করছি যে, বাংলাদেশেও রিটার্ন দাখিলের জন্য একটি অপরিবর্তনীয় ডেডলাইন থাকবে; যা ‘করদিবস’ নামে অভিহিত হবে। সাধারণভাবে ৩০ অক্টোবর হবে ‘কর দিবস’। তবে ৩০ অক্টোবর সরকারি ছুটির দিন হলে ‘কর দিবস’ হবে তার পরবর্তীদিন।
দেশে বর্তমানে কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) নাগরিকের সংখ্যা ১৮ লাখ হলেও রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা ১২ লাখ বলে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, রিটার্ন দাখিলের এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি হওয়া উচিৎ।
তিনি আরও বলেন, করদাতার সংখ্যা অত্যন্ত লজ্জাকর। আমাদের লক্ষ্য করদাতার সংখ্যা ১২ লাখ থেকে আগামী বছরই ১৫ লাখে উন্নীত করব।
আয়করকে ‘সর্বোত্তম কর ব্যবস্থা’ উল্লেখ করে মুহিত বলেন, এতে আয়ের অনুপাতে করহার বৃদ্ধি পায়। এক সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এই উৎস থেকে আদায় করত ১০ শতাংশের কম। বর্তমানে এই উৎস থেকে আদায়ের পরিমাণ ৩৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
/এসএনএইচ/