কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বলেন, মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে (এমএইচ-১৯৬) ঢাকায় আসেন খোরশেদ। মঙ্গলবার সকালে কাস্টমস হলের সামনে থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আটক করা হয়। তল্লাশি করা হলে তার পেটের ভেতর সোনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। পরে পায়ুপথ দিয়ে এক কেজি ওজনের ১০টি স্বর্ণের বার বের করে দেন খোরশেদ।
ড. মইনুল খান বলেন, মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে (এমএইচ-১০২) ঢাকায় আসেন নিজাম। মঙ্গলবার দুপুরে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আটক করা হয়। তল্লাশি করা হলে তার ব্যাগে থাকা দু’টি ডিটারজেন্টের প্যাকেটের ভেতর এক কেজি স্বর্ণের গুঁড়া পাওয়া যায়।
/সিএ/এমএসএম/