ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ‘আত্মহত্যাই করেছে জঙ্গি শমসের। তার গলার বামপাশে গভীর কাটা ছিলো। ওই ক্ষতটি ছিলো লম্বায় ৩ ইঞ্চি এবং চওড়া ও গভীরতায় দেড় ইঞ্চি। ধারালো অস্ত্রের আঘাত সে নিজেই এ কাজ করেছে।’
এছাড়া জঙ্গি শমসেরের ডান হাতে বোমা বিস্ফোরণের চিহ্ন ছিলো জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘তার শরীরে ৫টি আঘাত ছিলো। তবে সে মারা গেছে গলার আঘাতের কারণেই। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।’
ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক আরও জানান, আত্মঘাতী হওয়া জঙ্গি শমসেরের ভিসেরা সংরক্ষণ করা হয়েছে। কেউ যদি তার ডিএনএ পরীক্ষা করতে চায় সেজন্য তার থাই মাসল, রক্ত ও ইউরিনও সংরক্ষিত রয়েছে। এছাড়া আত্মহত্যার সে আগে কোনও ড্রাগ নিয়েছিলো কী না, তা জানার জন্য মহাখালীর রাসায়নিক পরীক্ষাগারে নমুনা পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, আজিমপুরে জঙ্গি আস্তানায় শনিবার পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো. শমসের উদ্দিন নামে এক জঙ্গির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তখন তার নাম জানানো হয়েছিল করিম। উদ্ধারের পরপরই জঙ্গি করিম আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করেছিলেন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন।
/এমও/