মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ‘বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো’ (ব্যানবেইস) কার্যালয়ের সামনে গণমাধ্যমে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ছাত্রীদের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। তাদের সমস্যা আমি মনোযোগ দিয়ে শুনেছি। আমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এক সপ্তাহের মধ্যে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছি। এই কমিটিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, কলেজের পাঁচ জন ছাত্রী, কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ এবং মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা সদস্য হবেন।’
ছাত্রীদের বরাত দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দেখিয়ে গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজে নাকি ছাত্রী ভর্তি করানো হয়। তাদের কারিকুলাম, বইপত্র নাকি সময়োপযোগী নয়। বিসিএস পরীক্ষাসহ অন্যান্য চাকরি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে তারা সমস্যায় পড়ছেন। এসব বিষয়ই খতিয়ে দেখবে এই কমিটি।’
পরে কলেজটির আন্দোলরত ছাত্রী মাসুমা আক্তার পলি বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজকে ঢাবির ইনস্টিটিউট করার আশ্বাস দিয়েছেন। এ বিষয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তাই আমরা আপাতত সব আন্দোলন স্থগিত করছি।’
এর আগে মঙ্গলবার সকালে ১০টায় কলেজের একটি আলোচনাসভায় যোগ দিতে যান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ওহিদুজ্জামান। তখন শিক্ষার্থীরা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। আধঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে।
পরে সকাল ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করে। বিকাল ৫টার দিকে আন্দোলনকারীরা জানতে পারেন শিক্ষামন্ত্রী পলাশীতে ব্যানবেইস কার্যালয়ে একটি কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন। পরে প্রায় ৭ ঘণ্টা রাস্তা অবরোধের পরকয়েকশ’ শিক্ষার্থী ওই কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। অবশেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মন্ত্রী কয়েকজন আন্দোলনকারী ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন।
/আরএআর/এনএস/