তুরিন আফরোজ বেসরকারি ‘ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভাসির্টি’তে শিক্ষকতা করেন। আব্দুল মান্নান একই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা কর্মী। তুরিন আফরোজের সহকারী ফারাবি বিন জহির জানান, মান্নান গত ২৭ অক্টোবর তুরিন আফরোজের খোঁজে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যক্তিগত কক্ষে (চেম্বার) আসে। তখন তুরিন আফরোজ কক্ষে ছিলেন না। ওই সহকারী জানতে চান, তুরিন আফরোজকে কেন দরকার। জবাবে মান্নান বলে, কাদের মোল্লা আর সালাউদ্দিন কাদেরকে ফাঁসি দিয়েছে তুরিন আফরোজ।
এ ঘটনার পর রবিবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর বাড্ডা থানায়ি জিডি করেন তুরিন আফরোজ। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ওই কিশোরকে আটক করে পুলিশ।
মান্নানের পরিবারের দাবি, সে মানসিক ভারসাম্যহীন। কখনও সুস্থ্য থাকে, কখনও মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। আর যখন সুস্থ্য থাকে, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করে।
বাড্ডা থানার ওসি আব্দুল জলিল জানান, জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের কাছেও মান্নানকে মানসিক ভারসাম্যহীন মনে হয়েছে। তারপরও বিস্তারিত জানতে তাকে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
/জেইউ/এআরএল/
আরও পড়ুন: