শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে থাকছে র‌্যাব-বিজিবি: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার াজী রকিব উদ্দিন আহমেদজনগণ সচেতন হলে ভবিষ্যতে নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাগবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন (সিইসি) কমিশনার কাজী রাকিব উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে র‌্যাব-বিজিবি রাখা হচ্ছে। আপনারা সামনে আসুন, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা তারা বুঝিয়ে দেবে।’ বুধবার জেলা পরিষদ নির্বাচনের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দুষ্কৃতকারীদের কোনও রাজনৈতিক দলই প্রশ্রয় দেয় না উল্লেখ্য করে সিইসি বলেন, ‘দুষ্কৃতকারীরা দুষ্কৃতকারীই। সব দলই আমাদের বলেছে, দুষ্কৃতকারীরা তাদের কেউ নয়।’

ভবিষ্যতে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে বলে আশা প্রকাশ করে সিইসি বলেন, ‘গণতন্ত্রের প্র্যাক্টিস আমাদের দেশে খুব বেশি দিনের নয়। বার বার আমরা গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করেছি। গণতন্ত্রের চর্চাটা পার্শ্ববর্তী দেশ বা উন্নত দেশের মতো সমানভাবে বহুদিন ধরে চলছে। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে। আশা করি, ভবিষ্যতে গণতন্ত্রকে দেশবাসী এমন পর্যায়ে নিয়ে যাবে, তখন আর নির্বাচনে পুলিশ বিজিবি লাগবে না। সবাই সচেতন হব। কেউ কারও মাথায় লাঠি মারব না। আদালতের মাধ্যমে, আইনের মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান করব।’

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়েছে দাবি করে সিইসি বলেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নারী ও পুরুষ ভোটারের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। আমি নিজে কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করে দেখেছি, গণমাধ্যমেও দেখেছি সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন হয়েছে।’

কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেন,  ‘আপনারা জানেন জেলা পরিষদ নির্বাচন অন্য নির্বাচন থেকে ভিন্ন। এখানে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিরা ভোট দেন। প্রচলিত নির্বাচন থেকে ভিন্ন হওয়ারও পরও আমরা ভোট শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি।’

/ইএইচএস/এমএনএইচ/