আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানালেন ড. ইউনূস

ড. মুহাম্মদ ইউনূসহিলারি ক্লিনটনের নির্বাচনি তহবিলে ড. মুহম্মদ ইউনূসের চাঁদা দেওয়ার বিষয়ে আইনমন্ত্রী অভিযোগটি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন ড. ইউনূস। বুধবার ইউনূস সেন্টার থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদপত্রে অভিযোগটি ভিত্তিহীন বলে জানানো হয়।

প্রতিবাদ পত্রে জানানো হয়, সম্প্রতি আইনমন্ত্রী এক মন্তব্যে বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হিলারি ক্লিনটনের নির্বাচনি তহবিলে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের ‘চাঁদা প্রদানের’ বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন। আইনমন্ত্রীর দাবি, ‘প্রফেসর ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে এই অনুদান দিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে হিলারি ক্লিনটনের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত হয়।’

আইনমন্ত্রী মতে, ‘বিষয়টি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় প্রচারিত হলেও প্রফেসর ইউনূস এ বিষয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেননি। তিনি আরও বলেন, হিলারি ক্লিনটন এবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে তার সঙ্গে সুসম্পর্কের সুবাদে প্রফেসর ইউনূস এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামানোর স্বপ্ন দেখছিলেন।’

প্রতিবাদ পত্রে জানানো হয়, হিলারি ক্লিনটনের নির্বাচনি তহবিলে ড. ইউনূসের চাঁদা দেওয়ার বিষয়ে আইনমন্ত্রী অভিযোগটি ভিত্তিহীন। কোন প্রচার মাধ্যমেই ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে এরকম কোন অভিযোগ তোলা হয়নি। তিনি কখনোই হিলারি ক্লিনটনের নির্বাচনি তহবিলে কিংবা দেশে বা বিদেশে কারও নির্বাচনি তহবিলে কখনও কোন চাঁদা দেননি। এছাড়া ২০ এপ্রিল ২০১৬ ও ৩১ আগস্ট ২০১৬ তারিখে ইউনূস সেন্টার থেকে এ ব্যাপারে দুটি বিবৃতিতে দেওয়া হয়েছে।

ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের ওয়েব সাইটে উল্লেখিত ফাউন্ডেশনকে প্রদত্ত একমাত্র অর্থ দেওয়ার বিষয়টি ছিল গ্রামীণ আমেরিকার, যা ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের প্রতি বছর আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদানের জন্য ‘সদস্যপদ, স্পন্সরশিপ ও কনফারেন্স ফি’ ক্যাটাগরিতে দেওয়া হয়েছিল। গ্রামীণ আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ভিডার জরগেনসেন ওই সব সম্মেলনে যোগদানের জন্য ওই বাৎসরিক চাঁদা ১০ বছর ধরে দিয়েছিলেন। ইউনূস সেন্টারের ওই প্রতিবাদের সঙ্গে ভিডার জরগেনসেনের বিবৃতিও সংযুক্ত করা হয়েছিল।

/এমডিপি/