জঙ্গি ও মাদক সহ্য করা হবে না: আইজিপি

জঙ্গি দমন ও মাদক বিস্তার রোধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন আইজিপি একেএম শহীদুল হক। বৃহস্পতিবার পুলিশ সপ্তাহের চতুর্থ দিনে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স অডিটরিয়ামে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে তিনি এ নির্দেশ দেন।

আইজিপি এ কে এম শহীদুল হকআইজিপি বলেন, ‘জঙ্গিবাদ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এটি কোনও একক দেশের সমস্যা নয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ পুলিশ জঙ্গি দমনে অভূতপূর্ব সাফল্য দেখাতে সক্ষম হয়েছে। দেশে এখন জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশে আর যেন জঙ্গি কার্যক্রম মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেদিকে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকতে হবে। জঙ্গি ও মাদক কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।’
আইজিপি আরও বলেন, ‘জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কমিউনিটি পুলিশিং কাজে লাগাতে হবে। জঙ্গিদের তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। তাদের আত্মীয়-স্বজনদেরও হালনাগাদ তথ্য রাখতে হবে। কমিউনিটি পুলিশিং-এর মাধ্যমে সমাজের সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে একত্রিত করে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে হবে। যেকোনও মূল্যে সমাজ থেকে জঙ্গি নির্মূল করতে হবে।’
আইজিপি বলেন, ‘এবারের পুলিশ সপ্তাহের মূল প্রতিপাদ্য ‘জঙ্গি -মাদকের প্রতিকার, বাংলাদেশ পুলিশের অঙ্গীকার’। এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে  সমাজ থেকে মাদক নির্মূল এবং জঙ্গি দমনে আমাদের কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত মাদক বহনকারীকে আটক করলেই হবে না, মাদকের পেছনের গডফাদারকে খুঁজতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মাদক সংক্রান্ত মামলাগুলো নিবিড়ভাবে তদন্ত করতে হবে।’ তিনি কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনগণকে সম্পৃক্ত করে মাদকবিরোধী প্রচারণা জোরদার করার জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
অনুষ্ঠানে মাদক ও জঙ্গিবিরোধী আলোচনায় মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও অংশগ্রহণ করেন। মতবিনিময় সভায় ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম জঙ্গি দমন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।পরে সিআইডি এবং এসবির সঙ্গেও বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজিপি, ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি এবং মাঠ পর্যায়ে কর্মরত পুলিশ সুপারগণ উপস্থিত ছিলেন।
/জেইউ/ এপিএইচ/