ঢামেক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন একটি শিশুর স্বজনদের সঙ্গে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. কাঁকন ও একজন মেডিক্যাল অফিসারের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে ঝামেলা হয়। এসময় স্বজনেরা উত্তেজিত হয়ে একটি কাঁচের দেয়ালে আঘাত করলে তা ভেঙে গিয়ে ডা. কাঁকনের হাত কেটে যায়। তিনি বিষয়টি সহকর্মীদের জানালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ক্ষুব্ধ হয়ে জরুরি বিভাগের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেন। তবে তার আগেই শিশুটিকে রেখে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান স্বজনেরা।
পরে বিএমএ’র সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও ঢামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক খাজা আব্দুল গফুর ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। আধা ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রধান ফটক খুলে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে খাজা আব্দুল গফুর বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘একটু ঝামেলা হয়েছিল। আমরা মিটমাট করে দিয়েছি।’
ঢামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইফাজ সামি জানান, তারা কর্তৃপক্ষের কাছে হাসপাতালের ভেতরে নিরাপত্তা দাবি করেছেন। কর্তৃপক্ষ তাদের এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
ঢামেক পুলিশ বক্সের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘২০৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক শিশু পায়ে সমস্যা নিয়ে ভর্তি হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় তাকে জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সে সময় শিশুটির ৪-৫ জন স্বজন জরুরি বিভাগে ভিড় করলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের চলে যেতে বলেন। এ নিয়ে চিকিৎসক, স্টাফ ও স্বজনদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হলে জরুরি বিভাগের কাঁচের দেয়াল ভেঙে যায়। তবে কিছুক্ষণ পরই সব ঠিক হয়ে যায়। এখন কোনও সমস্যা নেই।’
/এনএল/আরএআর/এআইবি/এএআর/