হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. জাকির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শহীদ সাত-আট বছর ধরে হাসপাতালে কাজ করছে। সে বার্ন ইউনিটে আসা রোগীদের রক্তের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা হাসপাতালের প্যাথলজিতে থেকে করিয়ে আনতো। অভিযোগ রয়েছে, এই কাজ করতে গিয়ে রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে সে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতো। এ ব্যাপারে আজ (বৃহস্পতিবার) বার্ন ইউনিটের একজন চিকিৎসক রোগীর ব্যবস্থাপত্র দেখে ত্রুটি খুঁজে পান। পরীক্ষার জন্য দেওয়া রিপোর্টগুলোর কাগজে কোনও চিকিৎসকের সাক্ষর নেই। এছাড়া কাগজগুলো যে ঢামেক হাসপাতালের তারও কোন চিহ্ন নেই। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, অধিকাংশ রোগীর ব্যবস্থাপত্রের চিত্র একই।
বিষয়টি জানাজানির পর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজনরা নিজেদের রোগীর ফাইল নিয়ে হাসপাতাল পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন। এ সময় পরিচালক কার্যালয়ে না থাকায় উপ-পরিচালক বিষয়টির সুষ্টু ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এরপর আজ রাতেই শহীদকে আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘শহিদকে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে আরও কারা জড়িত তা বেরিয়ে আসবে।’
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া এ ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আরজে/এআইবি/