সোমবার (৬ মার্চ) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার গোলাম সাকলাইন মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ অভিযোগ দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনার মিরাস উদ্দিন।
বিমানের আট কর্মকর্তা হলেন- জুনিয়র সিকিউরিটি অফিসার এসএম কামরুল হাসান, সুইপিং সুপারভাইজার আবু জাফর, সিনিয়র ইন্সপেকশন অফিসার মো. শাহজাহান সিরাজ, ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসার সালেহ আহমেদ ও রায়হান আলী এবং সহকারী এয়ারক্র্যাফট মেকানিক আনিসউদ্দিন ভূঁইয়া, এয়ারক্র্যাফট মেকানিক মুজিবুর রহমান ও মাসুদুর রহমান।
বাকি ১০ জনের মধ্যে ৯ অভিযুক্ত হলেন- মিলন সিকদার, আব্দুল বারেক তালুকদার, সালেহ উদ্দিন, সালেহ আহমেদ খান, মানিক মিয়া, সুব্রত কুমার, এসএম নুরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন। এরা সবাই ব্যবসায়ী।
অপর আসামি হলেন নেপালের নাগরিক গৌরাঙ্গ রোসান। এই ১৮ জনের মধ্যে ১৩ জন জামিনে রয়েছেন এবং নেপালিসহ পাঁচ জন পলাতক। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ৪২ জনকে সাক্ষী করা হয়।
প্রসঙ্গত,২০১৩ সালের ২৪ জুলাই বাংলাদেশ বিমানের একটি কার্গো হোল্ড থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় স্বর্ণগুলো উদ্ধার করে কাস্টমস ও বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ। এ ঘটনায় পরের বছরের ৫ ডিসেম্বর বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়। এরপর শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক মইনুল খানকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
/এসআইটি/এমএ/ এপিএইচ/
আরও পড়ুন: ভবন নির্মাণে উত্তরায় জমি পাচ্ছে বিজিএমইএ