বুধবার তাদের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দিয়েছেন। এর ফলে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে তারা আপিল করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
আদালতে ইকবালের পরিবারের সদস্যদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার। অপরদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান। পরে আদেশের বিষয়ে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, আপিলের ক্ষেত্রে যে বিলম্ব হয়েছে, তা মার্জনা চেয়ে ডা. ইকবালের পরিবারের সদস্যরা আবেদন করেছিলেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। এখন তারা আপিল করতে পারবেন।
গত ৮ মার্চ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন ইকবালের স্ত্রী মমতাজ বেগম, ছেলে ইমরান ইকবাল ও মইন ইকবাল এবং মেয়ে নওরিন ইকবাল। সেদিনই জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক আতাউর রহমান তাদের কারাগারে পাঠান।
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ২৭ মে ইকবাল ও তার পরিবারের চার সদস্যের বিরুদ্ধে এই মামলা করে দুদক। ২০০৮ সালের ১১ মার্চ ইকবালকে পৃথক দুটি ধারায় ১৩ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করেন বিচারিক আদালত। এছাড়া আদালত তার স্ত্রী ও সন্তানদের তিন বছর করে কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেন।
এই মামলায় ২০১০ সালে আত্মসমর্পণ করে পরের বছর হাইকোর্ট থেকে খালাস পান ইকবাল। তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে তখন আত্মসমর্পণ করেননি।
/এমটি/ইউআই/এএআর/