ঘোষণা না দিয়ে সরকারি চাকরিতে যোগদানকারীদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চাকরির মেয়াদ বাড়ানো কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী কোন ক্ষমতাবলে ওই পদে অসীন রয়েছেন তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছেন আদালত।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালাসহ পাঁচজনকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জনস্বার্থে করা এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি করে রবিবার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে গত মুক্তিযোদ্ধা এসএ মালেক ও প্রজন্মলীগ নেতা মো. খালিদ হোসেন জনস্বার্থে রিট করেন। আজ ওই রিটের শুনানি নিয়ে আদেশ দেওয়া হল।
আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার তৌফিক ইনাম টিপু।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০১৪ সালের ৫ আগস্ট এক নির্দেশনায় ঘোষণা করেন, যে সব সরকারি কর্মকর্তা চাকরিতে যোগদানের সময় নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঘোষণা করেনি অথচ তাদের চাকরির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে, তাদের এ ধরনের সুযোগ সুবিধা দ্রুত সময়ের মধ্যে বাতিল করা হবে। অথচ ২০১৪ সালের ৪ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে চাকরিরত ব্যক্তির ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার চাকরির মেয়াদ বাড়ায়। তাই এটি সংক্ষুব্ধদের কাছে অনিয়ম মনে হয়েছে।
তারা মনে করছেন, চাকরির মেয়াদ চলাকালে কর্মকর্তা কর্মচারী নির্দেশনা বহির্ভূতভাবে মুক্তিযোদ্ধা সনদ তৈরি বা সংগ্রহ করে চাকরির মেয়াদ বাড়িয়েছেন তা বাতিল করার জন্য রিট করা হয়।
/এমটি/ইউআই/টিএন/